নির্বাচন পর্যবেক্ষণের ক্যামেরা…
কিন্তু সরবরাহ করছে রাজনৈতিক নেতার প্রতিষ্ঠান!
তাহলে কি স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে?
ভোট কতটা নিরাপদ?
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে আলোচনায় এসেছে পুলিশের ব্যবহৃত বডি ক্যামেরা ক্রয় প্রক্রিয়া।
নির্বাচন মনিটরিংয়ের জন্য বাংলাদেশ পুলিশ মোট ২৫ হাজার ৭০০টি বডি ক্যামেরা সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে প্রায় ১০ হাজার ক্যামেরা সরবরাহ করেছে একটি প্রতিষ্ঠান, যার মালিক একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা।
জানা গেছে, ‘সিল্ক ওয়েস্ট কার্ড অ্যান্ড প্রিন্টিং লিমিটেড’ নামের এই প্রতিষ্ঠানের মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক চাঁদপুর-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।
তিনি বিএনপির নির্বাহী কমিটির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বেও রয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তার স্ত্রী মনিরা আহমেদ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়,
ইতোমধ্যে সরবরাহকৃত এই ১০ হাজার বডি ক্যামেরা দেশের পাঁচটি মেট্রোপলিটন এলাকা ও ৩৮টি জেলার ৬০৫টি থানায় বিতরণ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব বডি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ ও সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনায় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ফলে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে জনমনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অনেকে আশঙ্কা করছেন, এতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হতে পারে।
এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
Asia Post-এর এক প্রতিবেদনে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে উঠে এসেছে। পরে The Daily Narrative-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি আলোচনায় আসে।
বিশ্লেষকদের মতে, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম সংগ্রহেও সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।
এখন দেখার বিষয়, এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয়।
পিনাকী ভট্টাচার্য কি বললেন পড়ুন
0 মন্তব্যসমূহ