Header Ads Widget

Responsive Advertisement

মেয়ে সেজে টিকটক করে ভাইরাল কে এই রেদুয়ান

 


টিকটক ভিডিও বিতর্কে ছাত্রদল নেতা রেদোয়ান ইসলাম বহিষ্কার, নিজের অবস্থান জানালেন তিনি

টিকটক ভিডিওকে ঘিরে বিতর্কের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার এক ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত ওই নেতা হলেন সৈয়দাবাদ আদর্শ মহাবিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক রেদোয়ান ইসলাম।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, তার কিছু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট ও ব্যক্তিগত তথ্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হলে সংগঠনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

রোববার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রেদোয়ান ইসলামকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিটি ঘোষণার আগে তার দেওয়া জীবনবৃত্তান্তে উল্লেখিত তথ্যের সঙ্গে পরবর্তীতে পাওয়া কিছু তথ্যের অসঙ্গতি দেখা যায়। এ কারণে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তবে বহিষ্কারের পর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন রেদোয়ান ইসলাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, তাকে ঘিরে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্য সঠিক নয়।

তিনি লেখেন, “আমি ট্রান্সজেন্ডার নই। আমি একজন ছেলে এবং দীর্ঘদিন ধরে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত।”
তিনি আরও বলেন, কিছু কনটেন্টের কারণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি দুঃখিত এবং ইতোমধ্যে সেসব কনটেন্ট সরিয়ে ফেলেছেন।

রেদোয়ান ইসলাম সবাইকে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস বা প্রচার না করার আহ্বান জানান। তার ভাষায়, ভুল তথ্য একজন মানুষের সম্মানহানির কারণ হতে পারে।

এ বিষয়ে তার বাবা জাহাঙ্গীর আলমও গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছে তার অনেকটাই গুজব। তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরির অংশ হিসেবে কিছু ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছিল, যা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে।

এদিকে, বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রেদোয়ান ইসলাম বাড়িতে নেই বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ বিষয়টিকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে যুক্ত করে দেখছেন। আবার অনেকে সংগঠনের কাছে তথ্য উপস্থাপনের স্বচ্ছতাকেই মূল বিষয় হিসেবে উল্লেখ করছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে ব্যক্তিগত কনটেন্ট দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ায় অনেক সময় তথ্য বিকৃতি বা ভুল ব্যাখ্যা তৈরি হতে পারে। তাই এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে যাচাই ছাড়া মন্তব্য বা সিদ্ধান্তে পৌঁছানো থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

মেয়ে সেজে টিকটক করে ভাইরাল কে এই রেদুয়ান 

আরো পড়ুন 


২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? সম্ভাব্য তারিখ জানুন বিস্তারিত 


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ