Header Ads Widget

Responsive Advertisement

ইরানের হামলার খবর । কাতার-বাহরাইন-সৌদি আরবে আতঙ্ক

 



মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ইরান উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে মিসাইল ও বিমান হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গেছে। হামলার আওতায় এসেছে কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং কুয়েত

হামলার পরপরই এসব দেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কাতার সরকারের পক্ষ থেকে মোবাইল ফোনে জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। বার্তায় বাসিন্দাদের সামরিক স্থাপনা থেকে যত দূরে সম্ভব অবস্থান নিতে বলা হয়। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গেছে, মার্কিন তৈরি পেট্রিয়ট ডিফেন্স সিস্টেম ব্যবহার করে ইরানের একটি মিসাইল আকাশেই ভূপাতিত করা হয়েছে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

অন্যদিকে বাহরাইন নিশ্চিত করেছে যে তাদের ভূখণ্ডে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর সদর দপ্তর লক্ষ্য করে মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পর জরুরি সতর্কতা জারি করে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এদিকে আবুধাবি শহরেও বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতের আকাশে আগুনের ঝলকানি ও ধোঁয়া দেখা যায়। সেখানে অন্তত একজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে, যদিও সরকারিভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

একই সময়ে কুয়েত এবং সৌদি আরব থেকেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসব দেশে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সামরিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই হামলা অঞ্চলজুড়ে বড় ধরনের সংঘাতের ইঙ্গিত দিতে পারে। বিশেষ করে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি থাকা দেশগুলোতে হামলা হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

হামলার পর আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্ব শক্তিগুলো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।

এদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্ফোরণের ভিডিও ও ছবি শেয়ার করছেন, যেখানে আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী ও আগুনের ঝলকানি দেখা যাচ্ছে।

তবে হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি, হতাহতের সংখ্যা এবং পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই নতুন উত্তেজনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আরো পড়ুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ