Header Ads Widget

Responsive Advertisement

৮ মাসের শিশুর জন্য গর্ত খুঁড়লেন মা! জীবন্ত কবর দেওয়ার অভিযোগে ময়মনসিংহে তোলপাড়

 


৮ মাসের শিশুর জন্য গর্ত খুঁড়লেন মা! জীবন্ত কবর দেওয়ার অভিযোগে ময়মনসিংহে তোলপাড়


মায়ের কোল...

এই পৃথিবীতে সন্তানের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় বলে মনে করা হয়।

একটি শিশু যখন ভয় পায়, কাঁদে কিংবা অসহায় হয়ে পড়ে, তখন সে প্রথমেই খোঁজে তার মাকে।

কিন্তু সেই মায়ের বিরুদ্ধেই যদি ওঠে নিজের সন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ?

তাহলে সেই খবর শুনে যে কেউ শিউরে উঠবে।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার দুল্লা ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে এমনই এক ঘটনা ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য।

অভিযোগ উঠেছে, মাত্র ৮ মাস বয়সী এক শিশুকে জীবিত অবস্থায় কবর দেওয়ার উদ্দেশ্যে গর্ত খুঁড়েছিলেন তার মা।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, শিশুটির কারণে তিনি নিয়মিত কাজ করতে পারতেন না এবং অর্থ উপার্জনেও বাধা সৃষ্টি হচ্ছিল বলে মনে করতেন।

আর সেই কারণেই নাকি নিজের সন্তানকে সরিয়ে দেওয়ার ভয়ংকর চিন্তা মাথায় আসে তার।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, ওই নারী নাকি প্রায়ই বলতেন তিনি অনেক টাকা উপার্জন করতে চান, জমি-জমা কিনতে চান এবং স্বাধীনভাবে চলতে চান।

কিন্তু সন্তান থাকার কারণে তার জীবন থেমে গেছে বলে অভিযোগ করতেন।

এদিকে স্থানীয় সাংবাদিক রিপন সরওয়ারকে দেওয়া বক্তব্যে কয়েকজন গ্রামবাসী দাবি করেন, ওই নারী কোনো মানসিক রোগে আক্রান্ত নন।

বরং তাদের পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের পারিবারিক কলহ ও ঝগড়া-বিবাদ চলে আসছে।

আরেকটি চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন শিশুটির দাদি।

তার দাবি, সন্তান জন্মের আগেও নাকি ওই নারী শিশুটিকে নিতে আগ্রহী ছিলেন না।

গর্ভাবস্থার সময় থেকেও তাকে নিয়ে নানা আপত্তি ছিল।

এমন বক্তব্য সামনে আসার পর পুরো এলাকায় শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—

আরো পড়ুন

একজন মা কীভাবে এমন সিদ্ধান্তের কথা ভাবতে পারেন?

আবার অনেকে বলছেন, শুধুমাত্র স্থানীয় অভিযোগ ও বক্তব্যের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।

ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রশাসনের তদন্ত প্রয়োজন।

কারণ একটি শিশুর জীবন এবং একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ জড়িয়ে আছে এই ঘটনার সঙ্গে।

এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

তাদের দাবি, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী বা নির্দোষ বলার সুযোগ নেই।

এখন সবার অপেক্ষা—

আসলেই কি ৮ মাসের শিশুকে জীবন্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল?

নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো পারিবারিক জটিলতা?

সেই উত্তর খুঁজছে পুরো মুক্তাগাছা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ