ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধ: ভোট চু/রি সহজ করার ষড়যন্ত্র?
ভোট দিতে গেলে কি এখন মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে?
তাহলে অনিয়ম হলে কে করবে ভিডিও?
কে ডাকবে সাহায্য?
নতুন সিদ্ধান্তে কি ভোট চু/রি আরও সহজ হয়ে গেল?
নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে ঘিরে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা।
এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন বিশিষ্ট লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক হাসনাত আবদুল্লাহ।
তিনি বলেন,
ভোটকেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার অর্থ হলো সাধারণ ভোটারদের কণ্ঠরোধ করা। এতে করে মোজো সাংবাদিক ও সিটিজেন জার্নালিস্টদের কাজ করার সুযোগও বন্ধ হয়ে যাবে।
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন,
“এ ধরনের সিদ্ধান্ত আগে কখনো দেখা যায়নি। কোনো বিপদ ঘটলে তখন কাউকে ফোন করে জানানো যাবে না। এতে অনেক ভোটার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে ভোট দিতেও না যেতে পারেন।”
তার মতে, সিসি ক্যামেরা থাকলেও তাৎক্ষণিকভাবে অনিয়ম প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন থাকলে সঙ্গে সঙ্গেই ভিডিও রেকর্ড করে প্রমাণ সংগ্রহ করা যায়।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন,
“ভোট চু/রি, কেন্দ্র দখল ও জালিয়াতি ঠেকাতে মোবাইল ফোন সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম। হয়তো এসব অনিয়মের ভিডিও যেন কেউ করতে না পারে—সেজন্যই ৪০০ গজের মধ্যে ফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।”
তিনি এটিকে স্পষ্টভাবে ভোট চু/রির সুযোগ তৈরি করার পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং একটি নিরপেক্ষ, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ।
অনেকে বলছেন,
এভাবে ভোটকেন্দ্র থেকে প্রযুক্তিকে দূরে সরিয়ে দিলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য ভোটারদের নিরাপত্তা ও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
আরো পড়ুন

0 মন্তব্যসমূহ